গুরুরা

প্রথম বিভাগ (৬-৯ বছর)

প্রথম দিকের বছর গুলি চিরস্থায়ী হয়

এই বয়সে  শিশুরা কিছু  কাজ করতে,কোনো কিছু  তৈরী করতে চায়। স্বামি বলেন,” সময়ের অনেক আগে  শুরু করো,ধীরে ধীরে চল,নিরাপদে পৌঁছাও”। এই দিব্যবাণীর কথা মনে রেখে মাত্র ৬ বছর  থেকে শিশুদের এই কর্মসূচির অধীনে  নিয়ে  আসা হয়। অল্প বয়সে প্রোথিত মানবিক উৎকর্ষতার বীজ মূল্যবোধের ভিতর শিকড় বিস্তার করে।

শিশুরা  সারা জীবন এগুলি মনে রাখে এবং অনুসরণ করে।যেহেতু এই বয়সের  ছেলেমেয়েরা হাতেকলমে কিছু করতে চায়, গুরুরা তাদের শুধু তত্ত্বকথা না শুনিয়ে ছবির সাহায্যে,  চার্ট দেখিয়ে, গল্প বলে, নীরব উপবেশন, প্রার্থনা, গান, খেলা, দলগত কার্য, ভূমিকা অভিনয়, মনোভাব পরীক্ষা  প্রভৃতি বিভিন্ন  শিক্ষনপদ্ধতির মাধ্যমে

মূল্যবোধের শিক্ষা দিয়ে  থাকেন।

Coming soon...

দ্বিতীয় বিভাগ (৯ - ১২ বছর)

এই বয়সে ছেলে মেয়েরা সৃষ্টিশীল হয়,নানাবিধ কাজের পরিকল্পনা করতে চায়। প্রথম বিভাগে যে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়, এখন তা আকার ধারণ করতে শুরু করে। নিছক  গল্প,গান আর খেলায় তারা সন্তুষ্ট হয় না।তাদের কল্পনা এবং কৌতুহল মেটানোর বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হয়।  বালবিকাশ ক্লাশের প্রতি ছাত্রছাত্রীদের আকর্ষন অক্ষুন্ন রাখবার জন্য, তাদের কল্পনাশক্তিকে সজীব রাখার উদ্দেশ্যে   পাঁচটি শিক্ষণ পদ্ধতিকে এমন ভাবে ব্যবহার করা হয় যাতে বালবিকাশের ছাত্র ছাত্রীরা তাদের মন এবং ইন্দ্রিয়কে নিয়ন্ত্রণ করতে শেখে,পাঁচটি “ডি”  অনুশীলন করে। ফলতঃ তাদের বাক্য এবং কর্ম  সঙ্গতিপূর্ণ হয়।

Coming soon...

তৃতীয় বিভাগ (১২ - ১৫ বছর)

এটি পরিকল্পনা করা এবং অর্জন করার বয়স।মূল্যবোধকে বাস্তব জীবনে প্রয়োগ করতে শুরু করার এই হল উপযুক্ত সময়।এখন এতদিন তারা যা শিখেছে সেগুলি অনুশীলন করার জন্য ক্ষেত্রের প্রয়োজন। শ্রী সত্য সাই সেবা সংস্থা  হল সঠিক ক্ষেত্র যেখানে তারা প্রোজেক্ট, আলোচনা সভা ইত্যাদির মাধ্যমে অর্জিত বিদ্যার অনুশীলন  করতে পারে। ছাত্রছাত্রীর প্রয়োজনের কথা মাথায় রেখে বালবিকাশ গুরু  তখন শিক্ষক অথবা মায়ের নয়, একজন বিশ্বস্ত বন্ধুর ভূমিকা পালন  করেন।